কিভাবে ইউটিউব শুরু করবেন
কিভাবে ইউটিউবিং শুরু করবেন এবং আয়ের উপায়

বর্তমানে ভিডিও শেয়ারিং সাইট গুলোর মধ্যে ইউটিউব অন্যতম একটি জনপ্রিয় প্লাটফর্ম। এই কনটেন্টে এ জানতে পারবেন কিভাবে ইউটিউবিং শুরু করবেন এবং কোন কোন উপায়ে আয় করতে পারবেন।

পাস্যিভ ইনকাম করার একটি জনপ্রিয় মাধ্যম বা ভালো সোর্স হচ্ছে ইউটিউব থেকে এখন মানুষ হাজার হাজার ডলার ইনকাম করছে। শুধু তাই নয়, নিজেকে ব্র্যান্ড বানানোর জন্য বা নিজের কোন প্রোডাক্ট সেল করার জন্য, ইউটিউব ফ্রিতে বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন খুব সহজেই। তাহলে জেনে নিন বিস্তারিত।

ইউটিউব কি?

ইউটিউব (ইংরেজি: YouTube) একটি ভিডিও আদান-প্রদান করার ওয়েবসাইট। ওয়েব ২.০ এর অন্যতম কর্ণধার ইউটিউব বর্তমান ইন্টারনেট জগতের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং সাইট যা এর সদস্যদের ভিডিও আপলোড, দর্শন আর আদান-প্রদানের সুবিধা দান করে আসছে। এই সাইটটিতে আরো আছে ভিডিও পর্যালোচনা, অভিমত প্রদান সহ নানা প্রয়োজনীয় সুবিধা।

ফেব্রুয়ারি ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটির পেছনে ছিলেন মূলত পেপ্যাল প্রতিষ্ঠানের তিন প্রাক্তন চাকুরীজীবি, চ্যড হারলি, স্টিভ চ্যন আর বাংলাদেশী বংশদ্ভুত জাওয়েদ করিম। (সুত্রঃ উকিপিডিয়া)

ইউটিউব থেকে কিভাবে ইনকাম করবেন?

যদি আপ্নে অনলাইন টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় খুঁজছেন, তাহলে ইউটিউব থেকে আয় করার পদ্ধতি আপনার জন্য সবছে সহজ এবং লাভদায়ক হোতে পারে। আজ, দেশ বিদেশে অনেক হাজার YouTuber রয়েছেন, জারানাকি কেবল নিজের YouTube চ্যানেল থেকে এতো টাকা উপার্জন করছেন যে তাদের অন্য কোনো কাজ বা চাকরি করার কোনো প্রয়োজন হচ্ছেনা। আর, তাছাড়া এই YouTuber গুলি নিজেদের YouTube channel কেই business হিসেবে চলিয়ে মাশে হাজার হাজার টাকা আয় করছেন। অনেকেরা তো প্রতি মাশে লক্ষ লক্ষ টাকা অব্দি ইনকাম করছে। কিন্তু, এইটা তাদের কাজ এবং কষ্টর জন্য তারা পাচ্ছেন।

আয়

ইউটিউবের আয় মূলত পরোক্ষ আয় (প্যাসিভ ইনকাম)। ইউটিউবের ভিডিওতে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে যে আয় হয় তার একটি অংশ ভিডিও নির্মাতা বা ক্রিয়েটরকে দেওয়া হয়। এখানে এমন কোনো সমীকরণ নেই যে এক হাজার ভিউ হলে এত ডলার আয় হবে। ইউটিউবে চ্যানেল খোলার সঙ্গে সঙ্গেই ভিডিও মনিটাইজেশন করতে পারবেন না। ইউটিউব থেকে আয় করতে আপনাকে ইউটিউবের পার্টনার প্রোগ্রামে অংশ নিতে হবে। আপনার চ্যানেলটিতে ১২ মাসে কমপক্ষে এক হাজার সাবস্ক্রাইবার ও চার হাজার ঘণ্টা ওয়াচটাইম থাকলে, তা মনিটাইজেশনের জন্য আবেদন করা যাবে। তবে আপনার চ্যানেলে সাবস্ক্রাইবার বেশি থাকলে এবং ভিডিও ভিউ অনেক বেশি হলে ইউটিউবের আয়ের বাইরে আপনি স্পন্সরও জোগাড়ের চেষ্টা করতে পারেন। বিভিন্ন পণ্যের রিভিউ বা পর্যালোচনা করেও আয় করা যায়।

কীভাবে ভিউ বাড়াবেন

আপনার ভিডিওতে যথাযথ ও আকর্ষণীয় শিরোনাম ও থাম্বনেইল যুক্ত করুন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে ভিডিওর দর্শকের সংখ্যা (ভিউ) বাড়াতে পারেন। ইউটিউবে ভিডিও প্রকাশের (আপলোড) সময় এন্ড স্ক্রিনে অন্য ভিডিও বা প্লে লিস্ট যুক্ত করুন। সঠিক ভিডিও ডেসক্রিপশন যোগ করুন। বিভাগ অনুসারে ভিডিওগুলো প্লে লিস্টে সাজান। প্রাসঙ্গিক ভিডিও ট্যাগ ব্যবহার করুন। ট্যাগ রিসার্চে TubeBuddy আথবা VidIQ–এর মতো টুলগুলো ব্যবহার করতে পারেন। তা ছাড়া আপনি পেইড বুস্টও (বিজ্ঞাপন) করতে পারেন।

সতর্কতা

আপনাকে অবশ্যই কপিরাইট ও কমিউনিটি গাইডলাইন মানতে হবে। এ নির্দেশনাগুলো না মানলে আপনার মনিটাইজেশন (আয়) বন্ধ হয়ে যেতে পারে, এমনকি আপনার চ্যানেলটি বন্ধও হতে পারে। কপিরাইট ও কমিউনিটি গাইডলাইনের তিনটি স্ট্রাইক থাকে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একেকটি স্ট্রাইকের জন্য ভিডিও মুছে যাওয়া, লাইভ স্ট্রিমিং বন্ধ হওয়া, ভিডিও আপলোড করতে না পারার মতো ঘটনা ঘটে। আর তৃতীয় স্ট্রাইকে চ্যানেল বন্ধ করা হয়। তবে আপনি যদি মনে করেন, আপনার কপিরাইট স্ট্রাইকটি ভুল করে দেওয়া হয়েছে—তাহলে কাউন্টার নোটিফিকেশন দিতে পারেন। (সুত্রঃ প্রথম আলো)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here