ফ্রিল্যান্সিং করে আয়
একজন সফল ফ্রিল্যান্সার

ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করছে হাজার হাজার তরুণ তরুণী, এইসব আমরা ইতোমধ্যে জানি। কিন্ত যারা আসলেই সফল হয়েছেন, তাদের সম্পর্কে আমরা কতটাই বা জানি, কি পরিমাণ পরিশ্রম করে এত দূর এসেছে? এইসব প্রশ্নের উত্তর অনেকেই দিতে পারবে না, বিশেষ করে নতুনরা এবং যারা বার বার ব্যর্থ হচ্ছে। এইজন্যই বলা হয়ে থাকে, সফল হওয়ার প্রথম ধাপ হচ্ছে সফল ব্যক্তিদের সম্পর্কে জানা।

আতিকুর রহমান সোহেল ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করেছেন ১ কোটি টাকারও বেশি

মাত্র ২০ বছর বয়সের মধ্যেই ওয়েব ডেভেলপার এবং মেশিং লার্নিং ইঞ্জিনিয়ার হয়ে, বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেসে তার মধ্যে অন্যতম আপওয়ার্ক এবং সরাসরি আমেরিকা, কানাডা, দুবাই সহ বিভিন্ন দেশে সার্ভিস দিচ্ছে ঘরে বসে। আজকে সফল ফ্রিল্যান্সার আতিকুর রহমান সোহেল ভাইয়ের সফলতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো।

ব্যর্থতার শেষ আছে কিন্তু সাফল্যের শেষ নেই। তবে সেই সাফল্য পেতে হলে আপনাকে সেই ভাবেই প্রস্তুত করতে হবে। আমাদের অধৈর্য ও হতাশা জন্য সাফল্যের মুখ সহজেই দেখতে পাই না, দেখি শুধু ব্যর্থতার মলিন চেহারা।

ব্যর্থতা, হতাশা, কাজে অধৈর্য্য হওয়া, এই শব্দগুলো প্রতিটা সফল মানুষের পিছনে ছিল। নিজের ভুল থেকে নয় অন্যের ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়াই হচ্ছে বুদ্ধিমানের কাজ। এইজন্যই বেশি বেশি সফল মানুষদের সফলতার গল্প পড়া উচিত। তাহলে আপনি সহজেই হতাশা, অধৈর্য ও ব্যর্থতা থেকে ফিরে আসতে পারবেন।

পৃথিবীতে যত সফল মানুষ আছেন, প্রত্যেকেই সঠিক সময় সঠিক সিদ্ধান্ত ও যথেষ্ট পরিশ্রমের দ্বারাই হয়েছেন। মনে রাখবেন, নিজের সাফল্যের জন্য নিজেকেই ভালোভাবে প্রস্তত করতে হবে, আপনাকেই খুঁজে বের করতে হবে সঠিক রাস্তা বা সফল পথ। প্রতিনিয়ত আপনাকেই নতুন কিছু জানার ও শেখার চেষ্টা করতে হবে।

ফ্রিল্যান্সিং করে আয়
কেদারকন্ঠ, উত্তরখন্ড ভারত

সফলতার শেষ নাই, এই পৃথিবীতে কত ধরনের যে সফল ব্যক্তি আছেন, যতক্ষন পর্যন্ত না সফল ব্যক্তির জীবনী পরবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত জানতে পারবেন না।

আজকে ট্রেন্ডি বাংলায় এমন একজন সফল ব্যক্তির সাথে পরিচয় করিয়ে দিবো, যিনি খুব অল্প বয়সেই পেয়েছেন সাফল্যের ছোঁয়া। অদম্য সাহস ও কঠোর পরিশ্রম করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। দিনের পর দিন নিজেকে নিয়ে যাচ্ছেন সাফল্যের উচ্চ স্তরে।

চলুন, সফলতার গল্পটা উনার কাছ থেকেই শুনে আসি –

আমার বয়স বর্তমানে ২০ বছর। তবে বয়সের তুলনায় যতটুকু অর্জন করতে পেরেছি, সেটাতে আমি সন্তুষ্ট এবং অনেকের কাছেই এইটা স্বপ্নের মতো। আমাদের দেশের প্রচলিত নিয়মের বাহির গিয়ে কতটুকু সফল হতে পেরেছি সেই গল্পটাই বলবো।

আমার বর্তমান অবস্থা দেখে আমার মতো অনেকেই হতে চায় কিন্ত কতটা কষ্ট অবহেলা লাঞ্চনা সহ্য করে আজকের অবস্থানে আসছি সেটা কেউ দেখে না।

আমি আতিকুর সোহেল, জন্ম স্থান জামালপুর জেলার সদর উপজেলায়। আমি ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার ও মেশিং লার্নিং ইঞ্জিনিয়ার। বর্তমানে পড়তেছি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে EEE তে, পাশাপাশি কাজ করছি তিনটা প্রতিষ্ঠানে। USA এর মেশিন লার্নিং প্রতিষ্ঠান দুটো আর দুবাই এর একটা জব এজেন্সির সাথে যারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মী সরবরাহ করে থাকে।

মাত্র ১৮ বছর বয়সেই আমার ইনকাম ৬ ডিজিটে পৌছে যায় যখন আমি সবে মাত্র HSC শেষ করেছি। একটা সময় ভাবতাম কিছু টাকা হলে একটা ভালো ফোন কিনতে পারবো। আজ আমার বাসায় সবাই হাই কনফিগারেশন ফোন চালায় আর নিজে যখন মন চায় তখনই ফোন কিনে থাকি। এ্যাপল কোনদিন কল্পনাতেও আনি নি আর আজ আমার টেবিলে সর্রোচ্চ কনফিগারেশনের ম্যাকবুক, আইফোন পড়ে থাকে। একসময় টাকা বাচানোর জন্য লোকাল ট্রেনে যাতায়াত করতাম। আলহামদুলিল্লাহ্‌ এখন সময় বাচানোর জন্য এয়ারে চলতে হয়।এখন বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি পেলেই লম্বা ট্যুর। আলহামদুলিল্লাহ বর্তমানে যতটা পেয়েছি তার জন্য যথেষ্ট খুশি আমি।

একজন সফল ফ্রিল্যান্সারের আয়
বিশ্ববিদ্যালয়ের মেসের সেই রুম, বড় পরিবর্তনটা এখান থেকেই শুরু

আমার এতোদূর আসার পথ খুব সহজ ছিলো না।

বছরের পর বছর লোকজনের অনেক ধরনের কথা ও লাঞ্চনা সহ্য করতে হয়েছে। বিশ্বাস করাতে কষ্ট হলেও সত্য যে আমার গ্রামে এখনোও ৩জি নেটওয়ার্ক নেই। আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে থাকতাম হোস্টেলে যেখানে প্রতি শুক্রবার বাড়ি আসার সুযোগ পেতাম। তাই স্কুলে থাকাকালীন আমার কম্পিউটার ব্যবহারের সুযোগ থাকতো সপ্তাহে মাত্র একদিন। সেই সময় আমি নিজের খরচের টাকা বাচিয়ে সেকেন্ড হ্যান্ড একটা নকিয়া 3110 ফোন কিনি। হোস্টেলে ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকায় লুকিয়ে ফোন ব্যবহার করতে হতো। ২০১১-১২ সালের দিক তখন ক্লাস ৮-৯ এ থাকাকালীন নিয়মিত টেকটিউনস ব্লগ পড়তাম এবং সপ্তাহ শেষে একদিন বাড়িতে এসে কম্পিউটারে সেটা প্রাকটিস করতাম। সেই সময় টেকটিউনসে অনেক সিনিয়র ভাইরা লেখালেখি করতেন। বর্তমানে যা আছে তারচেয়ে প্রচুর হেল্পফুল ছিলো ব্লগটাতে।

টেকটিউনস থেকে ব্লগ পড়ে টেকটিউনসেই লেখা শুরু করে দিলাম

গুগল এবং ইউটিউব থেকেও অনেক কিছু শেখা যায়, শুধু আপনাকে একটু কষ্ট করে খুঁজে বের করে পড়তে হবে। আমি যেহেতু টেকটিউনসে নিয়মিত ব্লগ পড়তাম, সেহেতু অনেক কিছু জানতে পারতাম, জানার আগ্রহ জেনো দিন দিন বাড়তেই থাকে। মোটামোটি বিভিন্ন টপিকের উপর শত শত আর্টিকেল পড়েছি। তারপর চিন্তা করলাম এইবার নিজে কিছু লেখালিখি করা যাক। বলে রাখা ভালো, ব্লগ পড়লে যেমন জ্ঞান বৃদ্ধি পায় অনেক কিছু জানা হয়, ঠিক তেমনি কোন ব্যাপারে লিখলেও অনেক কিছু জানা হয়।

তাই যেমনই লিখতে পারি, ২০১৫ সাল থেকে শুরু করে দিলাম টেকটিউনসে আর্টিকেল লেখা।

ফ্রিল্যান্সিং করে আয়
টেকটিউনসে আমার কিছু আর্টিকেল

 

এরপর ২০১২ সালের জুন মাসে প্রথম আপওয়ার্ক আইডি করি তখন নাম ছিলো ওডেস্ক।

কিন্তু জবে আবেদন করতে ভয় পেতাম, ফোনে পুরো ফিচার আসতো না, এমন অনেক প্রবলেম ফেস করতাম।এরপর ২০১৩ সালে PHP & MySQL এর সন্ধান পেলাম। আর PHP & MySQL আমাকে অন্য এক জগতে নিয়ে গেছিলো তখন। এরপর ২০১৩ এর শেষদিকে WordPress এর সন্ধান পাই। মূলত আমার আসল পরিবর্তনটা সেখান থেকেই। ২০১৪ সালে SSC পরিক্ষার পর লম্বা একটা ছুটি পাই আর ঠিক তখনই আমি প্রথম ওডেস্কে জব পাই। মাত্র ১৫ ডলারের একটা কাজ আর সেই থেকেই শুরু।

বড় বাজেটের জবগুলাতে আবেদন করার সাহসই পেতাম না । এরপর আস্তে আস্তে ছোট বড় কাজ করতে থাকি। বেশ কয়েকজন পার্মানেন্ট ক্লায়েন্টও হয়ে যায়। ২০১৭ তে এসে হঠ্যাৎ করে ছোট একটা ভুলের কারনে আপওয়ার্ক আউডি সাসপেন্ড হয়ে যায়। একচেটিয়াভাবে শুধু আপওয়ার্কে কাজ করার কারনে খুব বিপাকে পড়তে হয়। ঠিক সেই সময় সিদ্ধান্ত নিই ব্যাকআপ কিছু করতে হবে। মূলত সেই সিদ্ধান্তই আমাকে এতোটা পরিবর্তন এনে দিয়েছে ।

আমরা বেশিরভাগই সাধারণত ছোট ছোট প্রজেক্টের কাজ করি। যার কারনে অনেক জবে আবেদন করতে হয়। তখন ভাবি যে স্বল্প আবেদনে লং পার্মানেন্ট কাজ করার। এরপর ছোট বড় কয়েকটা প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করি। ২০১৭ এর শেষ দিক হতে দুবাইয়ের প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ শুরু। এরপর ২০১৯ এ কাজ শুরু করি আমেরিকান আর্টিফিশিয়াল কোম্পানি প্যারাভিশনের সাথে। তারা মূলত সিসিটিভি লাইভ এনালাইসিস নিয়ে কাজ করে। এরপর জয়েন করি PixelPlex এ । এরা Ai, Blockchain সহ অনেককিছু নিয়ে কাজ করতেছে । আর বর্তমানে এই ৩ টা প্রতিষ্ঠানের সাথেই আছি।

ফ্রিল্যান্সিং এ সফলতা
সৈয়দপুর এয়ারপোর্ট

এই সময়টা খুব বেশি ভালো যায় নি আমার

আমি SSC শেষ করি ২০১৪ সালে। এরপর ভর্তি হয়ে যাই ময়মনসিংহ ক্যান্টনমেন্টে। প্রচুর অনলাইন আসক্তি থেকে দিনরাত জেগে নেটে ঘাটাঘাটি করতাম। অনেক ক্লাস মিস যেতো আর উপস্থিতি কমের কারনে ফাইনাল পরিক্ষা দিতে না পারা। ২০১৬ সালে আমার ক্লাসমেটরা HSC পরীক্ষা দিচ্ছে আর আমি রুমে বসে কান্না করেছি। পরিক্ষা দিতে না পারায় আমার অনেক রিলেটিভ, পরিচিত জন আমাকে লাঞ্ছনা দিতে থাকে। ২০১৭ তে নতুন সিলেবাসের ঝামেলার কারনে ক্যান্টনমেন্ট থেকে পরীক্ষার জন্য আবার ঝামেলা। পরে টিসি নিয়ে অন্য কলেজ থেকে পরিক্ষা দিই। যেনো একের পর এক হতাশা পিছু টেনে ধরেছে। প্রথমদিকে ভার্সিটি পরীক্ষা দিয়ে তেমন কোন রেসপন্সই পেতাম না। শেষদিকে কয়েকটা ভার্সিটিতে লিস্টে আসলো। এরপর ভর্তি হয়ে গেলাম রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেই সাফল্যের পথে পারি দিলাম

মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেই আমি স্বপ্নের কাছাকাছি পৌছাতে পেরেছি। একসময় কলেজে ড্রপআউট হওয়ায় অনেকেই তিরষ্কার করতো এলাকায় আর এখন যতটুকু পেয়েছি সেটা কল্পনার বাহিরেও। রিমোট জবের পাশাপাশি প্রজেক্ট বেইজও কাজ করছি। তবে এখন আর মার্কেটপ্লেসকে আগের মতো গুরুত্ব দিই না। শুধু দুইটা ক্লায়েন্ট আপওয়ার্কের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে চায় সেজন্য নতুন আপওয়ার্ক আইডি করলাম ২০১৯ এর ফেব্রুয়ারিতে।

ফ্রিল্যান্সিং করে আয়
সানকিতে বরফের রাজ্যে

ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করতে চাইলে বার বার একটা কথা মনে রাখা দরকার, সঠিক গাইডলাইন খোঁজা, অদম্য সাহস, ধৈর্য ও কঠোর পরিশ্রমী হওয়া লাগবে।

আলহামদুলিল্লাহ, শুধু ২০১৯ এ আপওয়ার্ক থেকেই ২২ হাজার ডলার আসছে। শুধু আপয়ার্কেই এ বছর (২০২০) ৪০ হাজার ডলারের এর একটা প্রজেক্টে ডিল হইছে বাট করোনার কারনে হোল্ড করা আছে। বলে রাখি যে আমার মোট আয়ের মাত্র ২০-২৫% আসে আপওয়ার্ক থেকে।

সোস্যাল মিডিয়া আমাদের যথেষ্ট সময় নষ্ট করে। বিভিন্ন জনের নানা লেখা আমাদের অনেক প্রভাব ফেলে। এইটা আমরা অনেকেই বুঝি না। কাজের জন্য মেসেঞ্জার চালাই সেটাও দিনে মাত্র ২০-৩০ মিনিট।

কিভাবে কাজ শিখেছি?

আমি কিন্তু কোনো কোচিং, ট্রেনিং সেন্টার থেকে কাজ শিখি নি এখন পর্যন্ত যা শিখেছি সব নিজে থেকে। তবে আমার বেসিকটা শিখেছি ব্লগ পড়ে। RRF এর রাসেল ভাইয়ের টিউটোরিয়াল অনেক কিছু খুব সহজেই বুঝতে সহায়তা করেছিলো। এখন তো ইউটিউবে যেকোন প্রবলেমেরই সল্যুশন আছে। আমি যখন প্রথম PHP & MySQL শিখি তখন ব্লগে লেখা ছিলো একটা ডাটাবেইজ তৈরী করে পরের স্টেপে যেতে। কিন্তু সেই ডাটাবেইজটাই তৈরী করে কানেক্ট করতে পারছিলাম না। একটা ডাটাবেইজ কানেক্ট করতে আমার মাসখানেক সময় লেগেছিলো। আর এখন তো কত্ত সহজ সবকিছু। তারপরও কেউ নিজে ইউটিউব পর্যন্ত সার্চ করতে চায় না।

ফ্রিল্যান্সিং করে আয় কোটি টাকা
২০ বছর বয়সেই কোটি টাকা আয় করেছি

যারা নতুন শুরু করতে চাচ্ছেন, তাদের জন্য কিছু কথা

ফ্রিল্যান্সিং করে আয় আপনি ও করতে পারবেন, শুধু দরকার ধৈর্য ও যথেষ্ট পরিশ্রম। অনেক সিনিয়র ভাই আছেন যারা অনেক বড় কোম্পানিতে কাজ করেন। তাদের সফলতার কাছে আমি কিছুই না। তারপরও নিজেকে আজকে একটা পজিশনে আনতে পেরেছি এবং চেষ্টা করতেছি অনেক বড় হতে। নতুন যারা কাজে আসতেছেন বা আসবেন বলে ভাবতেছেন তাদের অনেকেই কমন কিছু ভূল করে থাকেন।

প্রথমত কাজের শেখার সময়ই মার্কেটপ্লেসে চলে আসা। এই ভূলটা সবথেকে কমন একটা ভূল। আপনি যদি কাজ না শিখেই মার্কেটে আসেন, ধরেন একটা প্রজেক্ট পেলেন কিন্তু ঠিক ঠাকমতো কাজ জমা দিতে না পারলে আপনার প্রোফাইলে খারাপ একটা রেটিং পড়বে যা কভার করতে আপনাকে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হবে। সব মার্কেটপ্লেসই একাধিক আইডির ব্যাপারে অনেক শক্ত অবস্থানে আছে।

অনেকেই একাধিক মেন্টর ফলো করেন বা সামনে যার টিউটোরিয়াল পান তাকেই ফলো করতে থাকেন। আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে এটি করতে নিষেধ করতেছি। আপনি নির্দিষ্ট দুই তিনজনকে ফলো করেন। কারন সবার কাজের ধরন এক রকম না। তবে একটা প্রবলেম সলভ করতে হয়তো অন্য কারো টিউটোরিয়াল ফলো করতে হতে পারে কিন্তু পুরো সিস্টেমটাই না।

আমরা যখন কাজ শিখেছি তখন অনেক পরিশ্রম করে শিখতে হয়েছে। ২জি ইন্টারনেট, টিউটোরিয়ালের অভাব, তারপরও লেগে থেকেছি। কোনো সিনিউরকে মেসেজ দিয়ে বিরক্ত করি নি। কারন জানতাম যে তাদের সময়টা খুবই মূল্যবান। এখন তো গুগল এবং ইউটিউবে রিসোর্সের অভাব নেই। তাই নিজেকে ব্যর্থ ভাবার আগে একটু পরিশ্রম করেন। কে কি বলে সেগুলা ঝেড়ে ফেলুন, লেগে থাকুন। সফলতা একদিন এসে ধরা দিবেই।

 

আরও পড়ুনঃ

একজন সফল ডিজিটাল মার্কেটার, থাইল্যান্ডে গড়েছেন নিজের অফিস

একজন সফল গ্রাফিক ডিজাইনার, ব্যার্থতাই যার সফলতার উৎস

একজন ভ্রমণ পাগল, ঘুরে বেরিয়েছেন বাংলাদেশের ৬৩ জেলায়

4 COMMENTS

    • আপনাকেও ধন্যবাদ। এইরকম কার্যকরী ও তথ্যবহুল কন্টেন্ট পেতে ট্রেন্ডি বাংলার সাথেই থাকুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here